
আমরা সকল অন্যায় যুদ্ধের বিপক্ষে। আমরা চাই যুদ্ধ থেমে যাক। মানবতার মুক্তিপাক। শিশুরা মুক্ত পরিবেশে বড় হোক। মানুষ ন্যায় ও কল্যাণের পথে স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসুক। জবরদস্তির মাধ্যমে নয়।
যেসব অঞ্চলে সাংঘাত চলছে-
· গাজা: ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও সংঘাত সম্পূর্ণভাবে থামেনি।
· ইয়েমেন: হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘাত চলমান।
· সিরিয়া: আসাদ-পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজমান।
· সুদান: গৃহযুদ্ধ তীব্র হয়ে গণহত্যা ও ব্যাপক বাস্তুচ্যুতি ঘটাচ্ছে, যা বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী যুদ্ধ হিসেবে বিবেচিত।
· পূর্ব কঙ্গো (ডিআরসি): সশস্ত্র সংঘাত অব্যাহত আছে।
· সোমালিয়া: আল-শাবাব জঙ্গি গোষ্ঠী সক্রিয়ভাবে সংঘাত চালিয়ে যাচ্ছে।
· সাহেল অঞ্চল (মালি-বুরকিনা ফাসো-নাইজার): বিদ্রোহ চলমান।
· ইথিওপিয়া-ইরিত্রিয়া: নতুন যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
· রাশিয়া-ইউক্রেন: ২০২২ সাল থেকে যুদ্ধ চলছে,।
· মিয়ানমার: ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে গৃহযুদ্ধ অব্যাহত।
· পাকিস্তান (বালুচিস্তান): দীর্ঘমেয়াদি বিদ্রোহ চলমান।
· হাইতি: সশস্ত্র গোষ্ঠী ও রাষ্ট্রীয় বাহিনীর মধ্যে সংঘাত চলছে।
· মুসলিম-প্রধান সংঘাত অঞ্চল: গাজা, লেবানন, ইয়েমেন, ইরান, সিরিয়া, সোমালিয়া ও সাহেল অঞ্চল এই তালিকায় পড়ে।
· মিয়ানমার (ধর্মীয় মাত্রা): বৌদ্ধ-প্রধান সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা মুসলিম এবং খ্রিষ্টান-প্রধান কারেন, কাচিন, চিন জনগোষ্ঠীর উপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে।
· কঙ্গো ও ইথিওপিয়া-ইরিত্রিয়া: এখানে খ্রিষ্টান-প্রধান জনগোষ্ঠী সংঘাতে জড়িত।
· ইউক্রেন-রাশিয়া (ধর্মীয় মাত্রা): দুই পক্ষই মূলত খ্রিষ্টান (অর্থোডক্স), তাই এটি সম্পূর্ণভাবে ভূরাজনৈতিক যুদ্ধ।
· ইরাকি কুর্দি: উচ্চমাত্রার স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করেছে।
· পশ্চিম সাহারা: সাহরাবি জনগোষ্ঠী পলিসারিও ফ্রন্টের মাধ্যমে মরক্কোর বিরুদ্ধে স্বাধীনতার লড়াই চালাচ্ছে, যা ১৯৭৫ সাল থেকে চলমান।
· বালুচ জনগোষ্ঠী (পাকিস্তান-ইরান): বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মির মাধ্যমে স্বাধীনতার দাবিতে সক্রিয়।
· কাশ্মীর: ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে বিভক্ত কাশ্মীরিরা দীর্ঘদিন স্বনিয়ন্ত্রণাধিকার দাবি করছে।
· ইরানের আহওয়াজি আরব: একই রকম স্বনিয়ন্ত্রণাধিকারের দাবি জানাচ্ছে।
· মিয়ানমারের আরাকান আর্মি, কারেন, কাচিন: স্বায়ত্তশাসন বা স্বাধীনতার জন্য লড়ছে।
· দক্ষিণ সুদান: ২০১১ সালে স্বাধীনতা পেলেও অভ্যন্তরীণ সংঘাত এখনও অব্যাহত।